আটলান্টিক মহাসাগর। এর তলদেশে চলছে জাদুঘর নির্মাণের কাজ। স্পেনিশ সরকারের সহায়তায় সাগরের ১৫ মিটার গভীরে জাদুঘর ও ৩০০ ভাস্কর্য নির্মাণ করা হচ্ছে।

 

জাদুঘরটির অবস্থান মহাসাগরের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের লানযারোতের উপকূলের কাছে। সাগরতলে ইউরোপের প্রথম জাদুঘর এটি। নির্মাণকাজের প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন জেসন দ্য কেয়ারস নামের একজন শিল্পী।

৩০০ ভাস্কর্যের সবগুলো লানযারোতের বর্তমান বাসিন্দাদের নিত্যদিনের কর্মকাণ্ডের ওপর নির্মিত।

তবে এসব ভাস্কর্য তৈরিতে বিভিন্ন ধরনের পদার্থ ব্যবহার করা হচ্ছে। এসব পদার্থ সাগরতলের জীববৈচিত্রের জন্য হুমকি হয়ে দেখা দিতে পারে বলে অনেক পরিবেশপ্রেমী অভিযোগ করেছেন।

অবশ্য, স্পেনের কর্তৃপক্ষ বলছে, যেসব পদার্থ এই ভাস্কর্যে ব্যবহার করা হয়েছে, তাতে সাগরের পানির বা জীববৈচিত্র্যের কোনো ক্ষতি হবে না। পানির নিচে এগুলো ৩০০ বছর পর্যন্ত টিকবে বলে দাবি তাদের।

 

তবে সাগরতলের জাদুঘরটি দর্শনার্থীরা পরিদর্শন করবেন কীভাবে? এজন্য দুঃসাহসিক পদক্ষেপ নিতে হবে তাদের। পিঠে অক্সিজেনের টিউব নিয়ে ডুবুরির পোশাকে সাগরতলে নামতে হবে। ভয় পেলে কিন্তু জাদুঘর দেখা হবে না!

আফ্রিকার মূল ভূখণ্ডের খুব কাছে অবস্থিত ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ। সারা বছরই লাখো পর্যটক সেখানে যান। তাদের জন্য সাগরতলের এই জাদুঘর নতুন আকর্ষণ বলে মনে করা হচ্ছে।(বিবিসি)

Post A Comment: