নুসরাত ফারিয়া।গত শুক্রবার কলকাতায় মুক্তি পেয়েছে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ প্রযোজনার ছবি ‘হিরো ৪২০ ’। ভারতের এসকে মুভিজ ও বাংলাদেশের জাজ মাল্টিমিডিয়ার এই ছবিটি আগামীকাল শুক্রবার বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে। ছবিটির প্রচারণা ও পরবর্তী ছবি নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। তাঁর ব্যস্ত সময়ের কিছু কথা জানালেন পাঠকদেরকে।


নায়িকা এখন কোথায়?

নায়িকা জিম থেকে বের হচ্ছে। মার্চ থেকে ‘বাদশা’ ছবির শুটিং। এর আগে ওজন কমাতে হবে না? পরিচালকের কড়া নির্দেশ ছিল, সপ্তাহে তিন দিন করে টানা তিন সপ্তাহ ডায়েট করতে হবে। ওজন এখন ৪৬ কেজি; মাত্র এক কেজি কমলেই চলবে।


‘হিরো ৪২০’ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের দর্শকদের প্রতিক্রিয়া কেমন?

শুনেছি ভালো। ভালোবাসা দিবসে নাকি সবগুলো প্রেক্ষাগৃহে অনেক দর্শক হয়েছে। কলকাতা থেকে একাধিক সাংবাদিক আমাকে ফোন করেছেন। তাঁরাও অভিনয়ের প্রশংসা করলেন। অভিনয়ের প্রশংসার খবর নাকি ওখানকার পত্রিকাতেও বেরিয়েছে।

ছবির আসল খবর বলুন।

আসল খবরতো এখনো জানতে পারিনি। ছবি দর্শকের কাছে পৌঁছাতে প্রচার–প্রচারণাও বড় ভূমিকা রাখে। আমি যত দূর শুনেছি পশ্চিমবঙ্গে ‘হিরো ৪২০’–এর প্রচারটা একটু কম ছিল।

আর বাংলাদেশে?

এই যে জিম থেকে বের হয়ে প্রচারের কাজে ছুটছি। সন্ধ্যায় ছবিটি নিয়ে দু’টি চ্যানেলে কথা বলব। গত দুই সপ্তাহ ধরে নাওয়া-খাওয়া ভুলে ছবির প্রচার চালিয়ে বেড়াচ্ছি। স্যাটেলাইট চ্যানেল, পত্রিকা অফিসে ছুটছি। এ পর্যন্ত প্রায় ৩৩টা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছি। আর এর সবই করেছি নিজের আগ্রহে; যাতে ছবিটার কথা লোকে জানতে পারে।

আপনার প্রথম ছবি ‘আশিকী’ থেকে ‘হিরো ৪২০ ’-কে কতটা এগিয়ে রাখবেন?

‘আশিকী’ আমার প্রথম কাজ। এর কাজ যখন শুরু করি তখন বড় পর্দায় কাজের কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না। সে জন্য বলা যায়, ‘আশিকী’ করতে গিয়ে অনেক শিখেছি। শিখতে গিয়ে ভুলত্রুটি থাকতেই পারে। দ্বিতীয় ছবির বেলায় সেই ভুল খানিকটা কমেছে। ফলে কাজটি আগের থেকে ভালো হয়েছে। এ ছাড়া ‘হিরো ৪২০’ ছবিটি বিনোদনমূলক। ছবিটি দেখলে দর্শকেরা মজা পাবেন। সব মিলিয়ে ‘হিরো ৪২০’-কেই এগিয়ে রাখব।

যৌথ প্রযোজনার ছবি নিয়ে নানা অভিযোগ আছে। এতে নাকি নিয়ম-নীতি মানা হয় না। যৌথ প্রযোজনার ছবির নায়িকা হিসেবে আপানার মত কী?

এসব সমস্যা আগে থেকেই ছিল। দীর্ঘ বিরতির পর গত দু’বছর হলো আবার যৌথ প্রযোজনায় ছবি নির্মাণ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে যৌথ প্রযোজনায় যে সব ছবি নির্মিত হয়েছে, সেগুলোতে পুরোপুরি নিয়ম-নীতি মানা হয়েছে তেমনটা নাও হতে পারে। দু’বছর আগে কাজ শুরুর সময় এসব নিয়ে তেমন একটা বাধ্যবাধকতা ছিল না। কিন্তু এখন এগুলো সামনে আসছে। সেন্সর বোর্ড, চিত্রনাট্য পরীক্ষণ কমিটি, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান—সবাই নিয়ম মানার ব্যাপারে একাট্টা হচ্ছেন। আশা করা যায়, সমস্যাগুলো শিগগির সমাধান হয়ে যাবে।


Post A Comment: