এনরিকের শততম ম্যাচে বার্সার কষ্টের জয়



এনরিকের শততম ম্যাচে বার্সার কষ্টের জয়
এনরিকের শততম ম্যাচে বার্সার কষ্টের জয়

যোগ হওয়া সময়ের খেলা চলছে। প্রতি আক্রমণ থেকে ডান প্রান্তে মেসির পায়ে বল। লেভান্তের মাত্র দুজন ডিফেন্ডারই আছেন নিজেদের অর্ধে। আর বার্সেলোনার? মেসিকে সঙ্গ দিতে বাঁ দিকে নেইমার, আর মাঝে সুয়ারেজ। গোল ঠেকানোর সাধ্যি কার? সম্ভব হলো না লেভান্তে গোলরক্ষকেরও। মেসির পাস থেকে বক্সের ঠিক মাঝ প্রান্তে বল সুয়ারেজের পায়ে। ডান পায়ের বাইরের অংশ দিয়ে দুর্দান্ত শট জড়িয়ে গেল জালে। লেভান্তে ০-২ বার্সেলোনা। 
শেষ ভালো যার, সব ভালো তার। শেষটা ভালোই হলো বার্সার। না হলে পুরো ম্যাচজুড়ে অল্প কয়েকটি মুহুর্ত ছাড়া ঠিক চেনা ছন্দে ছিল কই কাতালানরা! পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা একটি দল, যারা মৌসুমে এ পর্যন্ত প্রতি ম্যাচেই গড়ে দুটি করে গোল হজম করেছে, তাদের সঙ্গে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে বার্সেলোনা গোল করতে পারল মাত্র একটি! অবশ্য বার্সেলোনা করল কই! ২৩ মিনিটের গোলটি তো আত্মঘাতী! জর্ডি আলবার ক্রস ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজের জালেই জড়িয়ে দিলেন লেভান্তের নাভারো। 
অবশ্য এর আগে পরে আরও কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিল বার্সা। মেসি দুবার জালে জড়িয়েছিলেন বল। দুবারই অফসাইডে বাতিল। এর বাইরে নেইমার-সুয়ারেজরাও বেশ কয়েকটি সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু ওই যে, বার্সার খেলায় ঠিক ‘বার্সেলোনা’ ভাবটা ছিল না। দায়িত্ব নেওয়ার পর লুইস এনরিকের শততম ম্যাচেই কেমন অচেনা দেখাল দলকে! 
বরং বার্সা নিজেদের সৌভাগ্যবান ভাবতে পারে, প্রথমার্ধের শেষ দিকে লেভান্তে বেশ কয়েকটি সুযোগ হাতছাড়া করেছে। জানুয়ারির দলবদলে ইতালিয়ান স্ট্রাইকার জিইসেপ্পে রসিকে ধারে নিয়েছে দলটি। রসি নিজে খেললেন, দলকেও খেলালেন। তাঁর বাড়ানো পাস থেকেই প্রথমার্ধের শেষ দিকে একবার পোস্টে লেগে ফেরত এল মোরালেসের শট, এর আগে একবার খুব কাছাকাছি গিয়েছিলেন লেরমাও। 
নেইমার মোটামুটি স্বাভাবিকই ছিলেন। তাঁর দুই সঙ্গী—মেসি ও সুয়ারেজ তুলনায় অনেকটা নিষ্প্রভ ছিলেন। তবে দিনশেষে এনরিকেকে শততম ম্যাচে স্বস্তি এনে দিলেন এই দুজনই। এই ম্যাচ জিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের চেয়ে ৩ পয়েন্ট এগিয়ে লিগ শীর্ষে বার্সা।

Post A Comment: