চুক্তি থেকে বাদ পিছনে মূল কারণ নিয়ম অমান্য করা।


চুক্তি থেকে বাদ পিছনে মূল কারণ নিয়ম অমান্য করা।
চুক্তি থেকে বাদ পিছনে মূল কারণ নিয়ম অমান্য করা।

সময়টা তাঁর খুব একটা ভালো যাচ্ছে না। চোটের কারণে কিছুদিন ধরেই জাতীয় দলের বাইরে পেসার রুবেল হোসেন। ঘরের মাঠে এশিয়া কাপ এবং আগামী মার্চ-এপ্রিলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দলেও তাঁর জায়গা হয়নি। এবার একটি বড় দুঃসংবাদ পেলেন তিনি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে জাতীয় দলের কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে এই ডানহাতি পেসারকে।

সোমবার বিসিবির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মূলত বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে রয়েছেন ১৫ জন ক্রিকেটার।রুবেলকে বাদ দেওয়া প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান বলেন, ‘প্রথমে চোটে পড়ার পর পুনর্বাসনের জন্য বিসিবি থেকে যে নিয়ম দেওয়া হয়েছিল তা সঠিকভাবে মেনে চলেনি রুবেল। যে কারণে সে আবার চোটে পড়ে। বিসিবির নিয়ম ভাঙায় তাকে কেন্দ্রীয় চুক্তি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।’

খেলোয়াড়দের দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘বিসিবি থেকে খেলোয়াড়দের বেতন-ভাতা দেওয়া হয়। আরো নানা সুবিধাদি পাচ্ছে তারা। তাই ক্রিকেটারদের তাদের দায়িত্বের ব্যাপারে আরো সচেতন হতে হবে।’
অবশ্য রুবেলের চুক্তিতে ফেরার সম্ভাবনা শেষ হয়ে যায়নি বলে মনে করেন বিসিবি সভাপতি, ‘আপাতত তাকে চুক্তি থেকে বাদ হলেও সুযোগ রয়েছে আবার ফেরার। আমরা তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেব, সে যদি যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দিতে পারে, তাহলে আবার রুবেলকে চুক্তির আওতায় আনা হবে।’

২০১৪ সালে অভিনেত্রী নাজনীন আক্তার হ্যাপির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন রুবেল। সে বছরের ১৩ ডিসেম্বর রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে (মামলা নম্বর ৩৭) হ্যাপি বাদী হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করলে দুদিন কারাগারে থাকার পর জেলা জজ আদালত থেকে জামিন পান তিনি।

পরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পান রুবেল। তাঁর অসাধারণ সাফল্যে সেই বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দারুণ কিছু অর্জন ঘরে তোলে। বিশ্বকাপ-পরবর্তী সময়ে রুবেলের পারফরমস্যান্স খুব একটা খারাপ ছিল না। কিন্তু চোটের কারণে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ দুটি সিরিজে খেলা হয়নি তাঁর।

এদিকে কেন্দ্রীয় চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের ২৫ শতাংশ হারে বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। ‘এ+’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের মাসিক বেতন ছিল দুই লাখ টাকা। বাকি চার ক্যাটাগরির মধ্যে ‘এ’-ক্যাটাগরিতে এক লাখ ৭০ হাজার টাকা। ‘বি’ ক্যাটাগরিতে এক লাখ ২০ হাজার, ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ৯০ হাজার ও ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ৬০ হাজার টাকা।

এ ছাড়া দলের দায়িত্ব-ভাতা হিসেবে অধিনায়ক বাড়তি ২০ হাজার টাকা এবং সহ-অধিনায়ক ১০ হাজার টাকা করে পেতেন। এবার তাদের সে বেতনের সঙ্গে যোগ হবে আরো ২৫ শতাংশ।

Post A Comment: