মেয়েটির বয়স ১২ বছর। আর পাত্রের বয়স পাত্রীর থেকে অন্তত ৬ গুণ। বাবা মায়ের অনুমতিতেই বিয়ে, দাবি দাদুর বয়সী পাত্রের। বিয়ে হয়েছে। এরপর পুরনো সংস্কৃতি মেনেই বিয়ে পরবর্তী ফটোশ্যুটে বেড়িয়েছেন দুই যুগল। সাদা রঙের গাউন পরিহিত বউ আর কালো পোশাকে পাত্র। সঙ্গী এক ফটোগ্রাফার। পথ যাত্রীরা যারাই ওই নবদম্পতিকে দেখছেন সবাই অবাক হচ্ছেন। 

 

এমন অসম বয়সের বিবাহ কীভাবে সম্ভব। এগিয়ে এলেন প্রতিবাদী কয়েকজন। পাত্রকে প্রশ্ন, “এটা কি তোমার ব্যবসা?” পাত্রের উত্তর,”আমি পাত্রীর বাবা মায়ের অনুমতি নিয়ে বিয়ে করেছি”। মানতে নারাজ প্রতিবাদীরা। পাত্রীকে প্রশ্ন,”তোমার বাবা মা কোথায়?” কোনও কথা বলল না পাত্রী। মন মানছে না, উত্তর না দিলেও একা ওই পাত্রীকে ছেড়ে দিতে চাইছে না প্রতিবাদীরা… পুরোটাই একটা গল্প। স্বচ্ছাসেবী সংস্থা কাফা মানব সচেতনতার উদ্দেশ্যেই এই ভিডিও তৈরি করে, যা ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে। বাল্য বিবাহ প্রতিরোধের লক্ষ্যে তৈরী করা এই ভিডিও দেখুন।

 

Post A Comment: