আইফোনের চাহিদা কমে গেছে?


আইফোন বিক্রির হার আগের চেয়ে কমে গেছে। আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রান্তিক আয় ঘোষণার সময় মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যাপল জানায়, আইফোন বিক্রির হার মাত্র এক শতাংশ বেড়েছে। অ্যাপলের বিনিয়োগকারীরা দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি আশা করলেও বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০০৭ সালের পর আইফোন বিক্রির হার যে হারে বাড়ছিল, তা এতটা কমে যাওয়ার ঘটনা প্রথমবারের মতো ঘটল। 

আইফোনের চাহিদা কমে গেছে?
আইফোন ৬ এস ও ৬ এস প্লাসের চাহিদা কমে গেআইফোন বিক্রির হার আগের চেয়ে কমে গেছে। আজ মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে প্রান্তিক আয় ঘোষণার সময় মার্কিন প্রতিষ্ঠান অ্যাপল জানায়, আইফোন বিক্রির হার মাত্র এক শতাংশ বেড়েছে। অ্যাপলের বিনিয়োগকারীরা দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি আশা করলেও বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০০৭ সালের পর আইফোন বিক্রির হার যে হারে বাড়ছিল, তা এতটা কমে যাওয়ার ঘটনা প্রথমবারের মতো ঘটল। গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আইফোন ৬ এস ও ৬ এস প্লাস বাজারে আসার পর এক সপ্তাহে রেকর্ড পরিমাণ আইফোন বিক্রি হলেও এখন সে চাহিদা কমে গেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, আইফোনের পূর্ববর্তী প্রজন্মের সঙ্গে নতুন আইফোনের প্রযুক্তিতে তেমন তফাত নেই। নতুন ফিচারও অল্প। এ ছাড়া পুরোনো মডেলের আইফোনের সঙ্গেও নতুন আইফোনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছে। ২০১৪ সালে বড় মাপের স্ক্রিনযুক্ত আইফোন ৬ ও ৬ প্লাস বাজারে এনে বাজার দখল করে অ্যাপল। যা এশিয়ার গ্রাহকদেরও নাড়া দেয়। ধাক্কা দেয় প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামসাংকেও। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এফবিআর ক্যাপিটাল মার্কেটসের বাজার গবেষক ড্যানিয়েল আইভস বলেন, ‘নিজের সাফল্যের বলী হতে হচ্ছে অ্যাপলকে। আইফোন ৬ এর জনপ্রিয়তা ও ফোন ব্যবহারের মেয়াদ বেশি হওয়ায় নতুন আইফোন কিনবে কি না তা নিয়ে অনেক ক্রেতা ধন্দে পড়ে যান। এ ছাড়া নতুন আইফোনের দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই তা কিনতে আগ্রহ হারান। এ ছাড়া বাজারে আইফোন ৭ এর গুঞ্জন তৈরি হআইফোন ৬ এস ও ৬ এস প্লাসের চাহিদা কমে গেছ

গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে আইফোন ৬ এস ও ৬ এস প্লাস বাজারে আসার পর এক সপ্তাহে রেকর্ড পরিমাণ আইফোন বিক্রি হলেও এখন সে চাহিদা কমে গেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, আইফোনের পূর্ববর্তী প্রজন্মের সঙ্গে নতুন আইফোনের প্রযুক্তিতে তেমন তফাত নেই। নতুন ফিচারও অল্প। এ ছাড়া পুরোনো মডেলের আইফোনের সঙ্গেও নতুন আইফোনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হয়েছে। 

২০১৪ সালে বড় মাপের স্ক্রিনযুক্ত আইফোন ৬ ও ৬ প্লাস বাজারে এনে বাজার দখল করে অ্যাপল। যা এশিয়ার গ্রাহকদেরও নাড়া দেয়। ধাক্কা দেয় প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামসাংকেও। 

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান এফবিআর ক্যাপিটাল মার্কেটসের বাজার গবেষক ড্যানিয়েল আইভস বলেন, ‘নিজের সাফল্যের বলী হতে হচ্ছে অ্যাপলকে। আইফোন ৬ এর জনপ্রিয়তা ও ফোন ব্যবহারের মেয়াদ বেশি হওয়ায় নতুন আইফোন কিনবে কি না তা নিয়ে অনেক ক্রেতা ধন্দে পড়ে যান। এ ছাড়া নতুন আইফোনের দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই তা কিনতে আগ্রহ হারান। এ ছাড়া বাজারে আইফোন ৭ এর গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।’

বাজার গবেষকেদের মতে, অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর—এ তিন মাসে অ্যাপল সাত কোটি ৫৫ লাখ ইউনিট আইফোন বিক্রি করেছে। যা এক বছর আগের একই সময়ের চেয়ে মাত্র ১ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ২০০৭ সালে প্রথম আইফোন বাজারে ছাড়ার পর থেকে গত প্রান্তিকেই আইফোন বিক্রি হয়েছে সবচেয়ে বেশি।

বাজার বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ফ্যাক্ট সেটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিক অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে মার্চ এ তিন মাসে পাঁচ কোটি ৪৬ লাখ আইফোন বিক্রি হবে বলে ধারণা করছে অ্যাপল। এক বছর আগে অর্থাৎ ২০১৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে ৬ কোটি ১২ লাখ ইউনিট আইফোন বিক্রি করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। যা বছরের হিসেবে ৪০ শতাংশ বৃদ্ধির হার ছিল। 

বাজার গবেষকেরা বলছেন, অ্যাপলকে উদ্ধার করতে পারে নতুন আইফোন ‘৭’। এ বছরের শেষ নাগাদ এই আইফোন আনতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। প্রযুক্তি বিশ্লেষকেদের ধারণা ক্রেতারা নতুন আইফোন এলে তা হালনাগাদ করতে আগ্রহী হবেন। নতুন এই আইফোন বেশ পানিরোধী প্রযুক্তি, তারহীন হেডফোনের মতো নতুন প্রযুক্তি রাখতে পারে অ্যাপল।

এদিকে প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটে জোর গুঞ্জন, আইফোন বিক্রি ধরে রাখতে মার্চ মাসে আইফোন ৫এসই নামে চার ইঞ্চি মাপের একটি ছোট-খাটো আইফোন বাজারে ছাড়তে পারে অ্যাপল। তথ্যসূত্র: রয়টার্স, বিবিসি।

Post A Comment: