পাংশু মুখ। লজ্জায়, অপমানে চোয়াল ও বুকে ঠেকেছিল মোহাম্মদ আমিরের। ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে প্রথম ওয়ানডে চলার সময় বাউন্ডারি লাইনে ফিল্ডিং করছিলেন তিনি। তখনই এক দর্শক ডলার দেখিয়ে বলতে থাকেন, ‘লাগবে নাকি!’ স্পট ফিক্সিংয়ের জন্য পাঁচ বছরে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা আমিরকে এভাবেই গত পরশু অপমানে নীল করেন ওয়েলিংটনের এক দর্শক। আর বিব্রতকর সে পরিস্থিতি থেকে আমিরকে ‘উদ্ধার’ করেন মোহাম্মদ হাফিজ।

 



এ ভয়টাই এত দিন পেয়ে আসছিলেন অনেকে। বিপিএল আর নিউজিল্যান্ডে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এমন অবমাননাকর কিছুর মুখোমুখি হতে হয়নি আমিরকে। তবে প্রথম ওয়ানডেতে টিপ্পনী হজম করতে হলো ঠিকই। এ সময় পাশেই ছিলেন মোহাম্মদ হাফিজ। আমিরকে ফেরানো নিয়ে শুরুতে ‘বিদ্রোহী’ ছিলেন হাফিজ। এ জন্য আমিরকে নিয়ে জাতীয় দলের অনুশীলন শুরুর পর বর্জন করেছিলেন ক্যাম্পও। এমনকি বিপিএলে নাকি চট্টগ্রামের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ওই দলে আমির থাকায়। সেই হাফিজই বিব্রতকর পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করেন সতীর্থটিকে। নিরাপত্তাকর্মীদের ডেকে অনুরোধ করেন ব্যবস্থা নিতে। এরপর সেই দর্শককে চিহ্নিত করে শাসিয়ে দেন নিরাপত্তাকর্মীরা।

তাহলে কি আমিরের সঙ্গে তিক্ততার অবসান হয়ে গেছে হাফিজের? জবাবে তিনি জানালেন, ‘দর্শকটি যখন ডলার দেখিয়ে আমিরকে অপমান করছিল তখন সেটা শুধু একজনের নয়, হয়ে গেছে গোটা পাকিস্তানের অপমান। আমি এগিয়ে গিয়েছিলাম এ জন্যই।’ সেই ম্যাচেই আবার প্রথম বলটা ওয়াইড ছিল আমিরের। লর্ডস টেস্টে ‘নো বল’ করার জন্য পাঁচ বছর নিষিদ্ধ হওয়াতেই ওয়েলিংটনের ওয়াইড নিয়ে বাড়তি আগ্রহ পাকিস্তানি মিডিয়ার। এক সাংবাদিক তো এ নিয়ে প্রশ্ন করে বসেন খোদ পিসিবি প্রধান শাহরিয়ার খানকে। বিরক্তি নিয়েই শাহরিয়ার খান জানিয়েছেন, ‘ওয়াইড বা নো বল হতেই পারে। আমিরের পারফরম্যান্সে খুশি আমি।’ পিটিআই

Post A Comment: