Decrease fontEnlarge font
ঢাকা: বহু আশা নিয়ে ঘুরতে গেলেন স্বপ্নের শহরে। দেশটির দর্শনীয় সব স্থান দেখা, খাওয়া-দাওয়া, কেনা-কাটা সব কিছুরই একটি পরিকল্পনা করে রেখেছেন আগে থেকেই। কিন্তু গিয়ে যদি দেখেন ওই স্থানের মানুষগুলো বন্ধুভাবাপন্ন নয়, বিপদে সাহায্য করতেও কেউ এগিয়ে আসছেন না। তাহলে ভ্রমণটাই হয়ে যাবে মাটি!

অন্যদিকে যদি এর উল্টোটা হয়, একটি দেশে বা শহরে ঘুরতে গিয়ে ওখানকার সবার মানসিকতা আপনাকে মুগ্ধ করছে তাহলে ভ্রমণটা হয়ে উঠবে নিশ্চয় স্মরণীয়।

এসব কথা বিবেচনা করে নিউইয়র্কের ভ্রমণ বিষয়ক কন্ডে নাটস ম্যাগাজিন বন্ধুভাবাপন্ন ও শক্রভাবাপন্ন শহরগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে। পাঠকদের পছন্দের উপর জরিপ চালিয়ে তালিকাটি তৈরি করে ম্যাগাজিনটি।

তালিকা অনুযায়ী, বন্ধুত্বপূর্ণ শহরের তালিকায় অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন এবং নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ড এ দুটি শহর একসঙ্গে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। 

তালিকায় মেলবোর্নকে শান্তির রাজধানী বলা হয়েছে। আর অকল্যান্ডের মানুষের ঠান্ডা মেজাজ দেখে প্রশংসা না করে থাকা যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।  

অপরদিকে দক্ষিণ গোলার্ধের দেশ সাউথ আফ্রিকার জোহানেসবার্গের মানুষ শান্ত থাকতে পছন্দ করে না। তাই একে সবচেয়ে বেশি শক্রভাবাপন্ন বা আনফ্রেন্ডলি শহরের তালিকার শীর্ষে রাখা হয়েছে।

তালিকাটি পাঠকদের উদ্দেশ্যে তুলে ধরা হলো-

বন্ধুভাবাপন্ন শহর:
১. অকল্যান্ড (নিউজিল্যান্ড), মেলবোর্ন (অস্ট্রেলিয়া)।
২. ভিক্টোরিয়া (কানাডা)
৩. চারলেসটোন (সাউথ ক্যারোলিনা)
৪. ডাবলিন (আয়ারল্যান্ড), সিডনি (অস্ট্রেলিয়া)
৫. সিয়েম রিপ (কম্বোডিয়া)
৬. কেপটাউন (সাউথ আফ্রিকা)
৭. সাভান্না (জর্জিয়া), সেভিলা (স্পেন)
৮. বুদাপেস্ট (হাঙ্গেরি)
বৈরী শহর:
১. জোহানেসবার্গ (সাউথ আফ্রিকা)
২. কান (ফ্রান্স)
৩. মস্কো (রাশিয়া)
৪. প্যারিস (ফ্রান্স)
৫. মার্সেলি (ফ্রান্স)
৬. বেইজিং (চীন)
৭. ফ্রাঙ্কফ্রুট (জার্মানি)
৮. মিলান (ইটালি)
৯. মন্টে কার্লো (মোনাকো)
১০. নাসাউ (বাহামা দ্বীপপুঞ্জ)।

Post A Comment: