২৫ বছর বয়স, এই বয়সেই সাধারণত একজন মানুষের মধ্যে জীবনটাকে বোঝার মতো বুদ্ধি হয়ে থাকে। ১৮ বছর বয়সের সকলকে পূর্ণবয়স্ক ধরা হলেও জীবনযাপনের সফলতা বিফলতা বোঝার বয়সটা ২৫ বছর বয়সই। এবং ২৫ বছর বয়সেই জীবনের কিছু সত্যের মুখোমুখি হতে হয় প্রায় সবাইকেই। এই সত্যগুলো মনে জন্ম দেয় হতাশার। তবে যারা এই সত্যগুলো মনে নিয়ে হতাশা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করবেন তারাই জীবনে হয়ে উঠবেন জয়ী।
) সঠিক চাকুরী না পাওয়া
অনেকের জীবনেই স্বপ্ন থাকে পড়ালেখা শেষ করে অন্তত ২৫ বছর বয়সের মধ্যে নিজের জন্য একটি সঠিক চাকুরীতে পাওয়া। যাতে করে সেই চাকুরীকে অবলম্বন করে পরবর্তী জীবনটা সুখের হয়। কিন্তু সত্যিকার অর্থে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে সঠিক চাকুরী পাওয়া সম্ভব নয় একেবারেই।
) নিজের অক্ষমতা প্রকাশ পায়
২৫ বছর বয়সে যখন সত্যিকার অর্থে নিজে জীবনটাকে বুঝে উঠতে পারবেন তখন অনেকেই নিজের অক্ষমতাটাকে ভালো করে বুঝে নিতে পারেন। বুঝতে পারেন নিজেকে যতোটা জ্ঞানী ভাবছিলেন এতোটা বছর ঠিক ততোটা জ্ঞানী তিনি নন।
) নিজে নিজে চলাটা ঠিক স্বাধীনতার মধ্যে পড়ে না
অনেকেই ভাবেন নিজে নিজে চলার মধ্যে অনেক স্বাধীনতা রয়েছে। কিন্তু যখন ২৫ বছর বয়সে এসে নিজে নিজে চলার সময় চলে আসে তখন বুঝা যায় এই একা চলাতা স্বাধীনতার মধ্যে পড়ে না। বরং এটি বেশ যন্ত্রণার। সব কিছু মানিয়ে দুনিয়ার সাথে তাল মিলিয়ে চলাটা আসলেই কষ্টকর।
) বন্ধুরা সব সময় পাশে থাকবে না
এই সময়টাতে সকলেই নিজের জীবনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে এবং ব্যস্ততার কারণে দূরে চলে যান প্রায় সকলেই। অনেকেই বন্ধু বান্ধবের সঙ্গের অভাব অনুভব করা শুরু করেন।
) অনেক বন্ধুই শুধুমাত্র স্বার্থের জন্য পাশে থাকেন
এই বয়সেই নতুন করে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা শিখে ফেলেন অনেকে। বুঝতে পারেন অনেকেই বন্ধুত্বের মুখোশ পরে স্বার্থ উদ্ধারের কাজ করিয়ে নিয়েছেন।
) সঠিক মনের মানুষ না পাওয়া
২৫ বছর বয়সটা এমন যে পড়ালেখা শেষের দিকে বা শেষ হয়ে গিয়েছে। যার ফলে নতুন করে কারো সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ার ব্যাপারটি এই সময়ে ঠিক খাটে না। বরং তখনও কাউকে খুঁজে না পাওয়ার যন্ত্রণা কাজ করে মনে।
) পরিবারের চোখে অকর্মা ব্যক্তি
ছেলে হোক বা মেয়ে হোক ২৫ বছর বয়সে যদি চাকুরীতে না ঢোকা যায় এবং বিশেষ করে মেয়েদের ক্ষেত্রে বিয়ে না হয় তাহলে পরিবারের চোখে অকর্মা ব্যক্তি হিসেবেই পরিচিত পাওয়া যায়।

Post A Comment: