Decrease fontEnlarge font
জাতীয় সংসদ ভবন থেকে: পূর্বানুমতি ছাড়া বিদেশি নাগরিক বিয়ে করলে চাকরি চ্যুত হবেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। বিলটি পাসের পর প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা বিদেশি নাগরিক বিয়ে করতে পারবেন না, এমনকি প্রতিশ্রুতিও দিতে পারবেন না। রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া প্রজাতন্ত্রের কোনোটিই করতে পারবেন না। করলেই চাকরি হারাবেন।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) রাতে জাতীয় সংসদে গণকর্মচারী (বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিবাহ) বিল, ২০১৫ পাসের জন্য উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। যদিও বিলটিতে জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমাম, সেলিম উদ্দিন, স্বতন্ত্র  সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজী, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিমসহ বেশ কয়েকজন সদস্য জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব তুলে ধরে যুক্তি উত্থাপন করেন।

মন্ত্রী বলেন, অধ্যাদেশটি আগেই ছিল। এখন শুধু বিল আকারে পাস করা হলো। পরে তাদের প্রস্তাব কণ্ঠ ভোটে নাকচ হয়ে যায়। স্পিকার বিলটি পাসের প্রস্তাব কণ্ঠভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

এর আগে গত ৯ সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হয়।

গণকর্মচারী (বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিবাহ) বিল হলে, গণকর্মচারী (বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিবাহ) আইন, ২০১৫ নামে অবহিত হবে।

পাসকৃত বিলে বলা হয়েছে, অন্য কোনো আইনে যা-ই থাকুক না কেন, কোনো গণকর্মচারী পূর্ব অনুমতি ছাড়া কোনো বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করলে তাকে বিধি লংঘনের দায়ে চাকুরি চ্যুত করা যাবে। অনুমতি প্রাপ্ত না হলে কোনো গণকর্মচারী বিদেশি নাগরিককে বিয়ে করতে বা বিয়ে করার আশ্বাস দিতে পারবেন না। এজন্য প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের বিয়ে করার বা এ বিষয়ে কাউকে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার আগে রাষ্ট্রপতি বরাবরে অনুমতি চেয়ে আবেদন করতে হবে। অনুপতি পাওয়ার পরই কেবল বিয়ে করা যাবে।

বিলের উদ্দেশ্য কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্যা পাবলিক সার্ভেন্টস (ম্যারেজ উইথ ফরেইন ন্যাশনালস) অর্ডিন্যান্স ১৯৭৬ সালের ১০ জুলাই জারি হয়। 

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ের মধ্যে জারিকৃত কতিপয় অধ্যাদেশ কার্যকরণ (বিশেষ বিধান) অধ্যাদেশ ২০১৩ দ্বারা কার্যকর রাখা হয়েছে। অধ্যাদেশসমুহ বাংলায় প্রণয়নের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী, সংশ্লিষ্টদের মতামত গ্রহণ পূর্বক গণকর্মচারী (বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে বিবাহ) আইন, ২০১৫-এর বিল প্রণয়ন করা হয়।

Post A Comment: