শিখর ধাওয়ান তাঁর তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরিটি পূরণ করলেন রাজকীয় ঢংয়েই। বৃষ্টির আগে তো ছিলই, বৃষ্টি-বিরতির পর খেলা শুরু আবার শুরু হওয়ার পরেও তাঁর ব্যাটিংয়ে কোনো পরিবর্তন নেই। পরিবর্তন করবেনই বা কেন! প্রতিপক্ষের তরফ থেকে যে বলার মতো কোনো বাধাই পেলেন না তিনি। একেবারে বিনা খাটুনিতে, চাপমুক্ত থেকেই নিজের সংগ্রহকে তিন অঙ্কে নিয়ে গেলেন তিনি। ধাওয়ান ১২৫ রানে অপরাজিত ১২২ বল খেলে। ১৯টি চারে সাজানো তাঁর এই ইনিংস।

 

 
বৃষ্টি এসে খেলা বন্ধ করে দেওয়ার আগে ভারতের সংগ্রহ ছিল ১০৭। খেলা শুরু হওয়ার পর সেই সংগ্রহ এই মুহূর্তে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ২০৮-এ। এখনো পর্যন্ত অনুষ্ঠিত ৩৮ ওভারে ভারত স্কোরবোর্ডের চাকা ঘুরিয়েছে ৪.৬ গড়ে। কেবল ধাওয়ানের কথাই বা বলা কেন! তাঁর ওপেনিং-সঙ্গী মুরলি বিজয়ও তো কম যাননি। তাঁর সংগ্রহ ৮০। ধাওয়ান-বিজয় যুগলবন্দী ইতিমধ্যেই রেকর্ড বইয়ে ঠাঁই নিয়েছে বাংলাদেশের বিপক্ষে বড় ফরম্যাটে ভারতের সর্বোচ্চ উদ্বোধনী জুটি হিসেবে।
এক পেসারের দল নিয়ে সকাল বেলাতেই সবাইকে চমকে দিয়েছে বাংলাদেশ। মোহাম্মদ শহীদের বোলিং-সঙ্গী ছিলেন সৌম্য সরকার। সাকিব আল হাসান, তাইজুল ইসলাম, জুবায়েররা গোটা দিনে ভারতের ওপর বলার মতো কোনো চাপই তৈরি করতে পারেননি। সকালে সৌম্য সরকারের বলে মুরলি বিজয়ের বিরুদ্ধে জোরালো এলবির আবেদন ছাড়া ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের কোনো চাপেই ফেলতে পারেনি বাংলাদেশ। এর মধ্যে আবার একটি ক্যাচও ছাড়া হয়েছে। বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হওয়ার আগ মুহূর্তে তাইজুলের বলে মিড উইকেটে ক্যাচ দিয়েছিলেন সেঞ্চুরিয়ান শিখর ধাওয়ান, কিন্তু তা ধরতে পারেননি শুভাগত হোম।

Post A Comment: