বিনা বিচারে প্রায় ৩২ মাস কারাবন্দী থাকার পর অবশেষে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার পলাশ রুদ্রপাল। গত শুক্রবার বিকেলে গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে তিনি ছাড়া পান।
পলাশ সাগর-রুনির বাসার নিরাপত্তাকর্মী ছিলেন। তাঁর বাড়ি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ধামাই চা-বাগানের শিলঘাট এলাকায়।
পলাশের পক্ষের হাইকোর্টের আইনজীবী এস এম আজমল হোসেন গতকাল শনিবার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে জানান, গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ পলাশের অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষ এর ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আবেদন করে। ৮ ফেব্রুয়ারি চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে পলাশের জামিন স্থগিতের আদেশ দেন। ১৩ এপ্রিল আপিল বিভাগ পূর্ণাঙ্গ শুনানি শেষে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদন খারিজ করে দেন। এতে পলাশের জামিনের ক্ষেত্রে বাধা কেটে যায়। শুক্রবার সকালের দিকে জামিন আদেশের কপি কাশিমপুর কারাগারে পৌঁছায়। ওই দিন বিকেল চারটার দিকে পলাশ ছাড়া পান।
পলাশের ছোট ভাই সুভাষ রুদ্রপাল গতকাল জানান, শুক্রবার রাতে ঢাকা থেকে মুঠোফোনে এক ব্যক্তি পলাশের জামিনের বিষয়টি তাঁদের জানান। এ খবর শুনে বাড়ির সবাই খুশি। তবে ভাইয়ের সঙ্গে গতকাল সকাল পর্যন্ত যোগাযোগ করতে পারেননি।

Post A Comment: