আজ রবিবার ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত মুগদা, বনানী ও ফকিরাপুলে এ তিনজনের মৃত্যু হয়। রাত ৩টার দিকে মুগদার দক্ষিণ মাণ্ডা এলাকায় বিষপান করে আত্মহনন করেন রোজিনা (১৭) নামে এক কিশোরী। ভোর ৪টার দিকে ফকিরাপুলের বড় মসজিদ সংলগ্ন ১০২/২ নম্বরের সৌরভ লেমিনেশনে কাগজের বান্ডিল মাথায় পড়ে মৃত্যু হয় সুজন (২২) নামে এক প্রেসকর্মীর। আর সকাল ৭টার দিকে বনানী সৈনিক ক্লাবের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন সুমন (৩০) নামে আরেক ব্যক্তি। রোজিনার মামা মজিবুর রহমান জানান, রাত ৩টার দিকে তার ভাগনি বিষপান করলে তৎক্ষণাৎ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভোর ৫টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

রোজিনার বাড়ি মৌলভীবাজার সদরের কালিন্দি গ্রামে। ২২ দিন আগে মামার বাসায় বেড়াতে আসেন তিনি। তবে, কী কারণে তিনি আত্মহনন করেছেন এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান মজিবুর রহমান। প্রেসকর্মী সুজনের সহকর্মী বাবু মোল্লা জানান, প্রেসের মেঝেতে ঘুমন্ত সুজনের মাথায় ভোর ৪টার দিকে দুর্ঘটনাবশত কাগজের বান্ডিল পড়ে। তৎক্ষণাৎ তাকে উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে আসা হলে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। এ দুইটি ঘটনারই সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢামেক পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোজাম্মেল হক।

বনানী থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক (এসআই) একেএম জিয়াউল আলম জানান, সকাল ৭টার দিকে সৈনিক ক্লাবের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন সুমন। তাকে উদ্ধার করে ঢামেকে নিয়ে আসা হলে সঙ্গে সঙ্গেই কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। সুমনের কাছে থাকা পাসপোর্ট থেকে তার পরিচয় জানা গেছে। তিনি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের আবুল কালামের ছেলে। তবে, কোন গাড়ির চাপায় সুমন আহত হয়েছেন সে বিষয়ে কিছু জানাতে পারেননি এসআই।
  - See more at: http://www.kalerkantho.com/online/national/2015/06/07/230668#sthash.IyxOke18.dpuf

Post A Comment: