কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন বাবা। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের শিকার তিন শিশু হলো- দেড় বছরের শারাবন তহুরা, আট বছর বয়সী নূরী জান্নাত শিউলী ও দশ বছরের আয়েশা সিদ্দিকা। তাদের বাবা আব্দুল গনি পেশায় দিনমজুর । বাড়ি নিদারতরনী গ্রামে।

কুপিয়ে হত্যা করলেন বাবা তার তিনটি মেয়েকেই, তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করলেন বাবা।

 মা ফাতেমা বেগমের ভাষ্য, হত্যার পর বাবা আব্দুল গনি তার (ফাতেমা) ভাই আজগর আলীকে ফোন করেন। ফাতেমাকে বাড়িতে গিয়ে সন্তানদের দেখে যেতে বলেন। পরে তারা বাড়িতে গিয়ে সন্তানদের লাশ দেখতে পান।

মা ফাতেমা বেগমের তথ্যমতে, স্বামী আব্দুল গনির সঙ্গে তার এক বছর ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। স্বামী আব্দুল গনি প্রায়ই তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিতেন। তিন-চারদিন ধরে স্বামী বাসায় কোনো টাকাপয়সা দিতেন না। খাবারের জোগাড়ও করেননি। গতকাল সকালে ফাতেমা বেগম ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) এই ঘটনার বিচার দিতে যান। চেয়ারম্যানকে না পেয়ে তিনি স্থানীয় ইউপি সদস্য খায়রুল বাশারের কাছে অভিযোগ করেন। আব্দুল গনিকে ডেকে এনে বকাঝকা করেন খায়রুল বাশার। এ সময় আব্দুল গনি স্ত্রীকে মেরে ফেলবেন বলে হুমকি দেন বলে বাশার জানিয়েছেন।

কুপিয়ে হত্যা করলেন বাবা তার তিনটি মেয়েকেই, তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করলেন বাবা।ফাতেমার ভাষ্য, খায়রুল বাশার তাকে গতকাল রাতে বাসায় থাকতে নিষেধ করেন। এ কারণে তিনি নিদারতরনীতেই তার নানির বাড়িতে থাকেন। ভোরের দিকে তার ভাই আজগর আলীকে স্বামী ফোন করেন। তিনি তাকে বলেন, ফাতেমা যেন সন্তানদের এসে দেখে যায়। পরে তারা গিয়ে তিন সন্তানের লাশ পড়ে থাকতে দেখেন।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রভাস চন্দ্র ধরের ভাষ্য, রাতের কোনো একসময় বাবা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সন্তানদের হত্যা করেছে বলে তারা ধারণা করছেন। ঘটনার পর থেকে বাবা পলাতক।
আব্দুল গনি ও ফাতেমার ১২ বছরের একটি ছেলে রয়েছে। তার নাম রিফাত। সে ছোটবেলা থেকে নানার বাড়িতে থাকে।

নিহত তিন শিশুর লাশ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

Post A Comment: