২০০৩ সাল। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালে মুখোমুখি রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাস। প্রথম লেগে রিয়াল মাদ্রিদ ২-১ গোলে জয় পায়। দ্বিতীয় লেগে জুভেন্টাস ৩-১ ব্যবধানে (দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩) রিয়ালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন লিগের ফাইনালে ওঠে।



এরপর শুরু হয়েছে জুভেন্টাসের ফাইনালে ওঠার অপেক্ষার পালা। সেই অপেক্ষার পালা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়েছে। মাঝে কেটে গেছে ১২টি বছর। ফাইনালে ওঠা হয়নি তাদের। অবশেষে অপেক্ষার পালা ফুরিয়েছে। সেই রিয়াল মাদ্রিদকেই হারিয়ে এক যুগ পর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে তুরিনের ওল্ড লেডিদের। ৬ জুন বার্লিনে ইউরোপের সবচেয়ে মর্যাদার আসর চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে বার্সেলোনার মুখোমুখি হবে তারা। ফাইনালে ওঠার আনন্দে যারপরনাই রঙিন এখন সাদা-কালো শিবির। আর বেদনার নীলে নীলাভ চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ। ১৯৯০ সালের পর থেকে চ্যাম্পিয়নস লিগের শিরোপা কেউ অক্ষুণ্ণ রাখতে পারেনি। রাখতে পারল না লস ব্লাঙ্কোসরাও।



প্রথম লেগে ২-১ গোলে জয় পায় জুভেন্টাস। সে কারণে ফাইনালে এক পা দিয়ে রেখেই ফিরতি লেগে রিয়ালের মাঠে খেলতে আসে তারা। সহজ সমীকরণ সামনে। কোনোভাবে ড্র করলেই ফাইনালে ওঠার পথ খোলা। আলভারো মোরাতার গোলে সেই পথ বেয়েই এক যুগ পর ফাইনালে পৌঁছেছে জুভারা।

Post A Comment: