'মেডবাই বাংলাদেশ' প্রত্যায়ে ১৫ জুন থেকে ‘বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো’


তিন দিনের এই প্রদর্শনীতে থাকবে তথ্যপ্রযুক্তির শতাধিক দেশী-বিদেশী প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ সরকারের ১০টিরও বেশি মন্ত্রণালয়/সেবা প্রতিষ্ঠান এ প্রদর্শনী, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তির হালনাগাদ সংস্করণের প্রযুক্তিপণ্য এবং ডিজিটাল জীবনধারাভিত্তিক পণ্য ও সরকারি-বেসরকারি সেবা প্রদর্শন।


প্রদর্শনী চলাকালে মেলা প্রাঙ্গনে তথ্যপ্রযুক্তি ও বাংলাদেশ প্রসঙ্গে ১০টির বেশি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজন থাকছে ‘ভবিষ্যৎ উদোক্তা ফোরাম’ শীর্ষক বিশেষ সম্মেলনের। প্রদর্শনী চলাকালে ইনোভেশন প্রজেক্ট চ্যাম্পিয়নশিপ, ডিজিটাল ফটো কনটেস্ট, সেলফি কনটেস্ট, গেমিং কনটেস্ট, শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ইত্যাদি প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকছে।

তবে সব ছাপিয়ে এই সম্মেলনে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অংশ গ্রহণে নির্ণিত হবে হার্ডওয়্যার ও আইটিইএস খাতে উৎপাদক হিসেবে বাংলাদশের পথচলাকে ত্বরান্বিত করার কৌশল পত্র।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির (বিসিএস)  যৌথ  উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে এই প্রদর্শনী।

ধানমন্ডিতে বিসিএস ইনোভেশন সেন্টারে মঙ্গলবার মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে এসব তথ্য দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার ও বিসিএসের সভাপতি এ এইচ এম মাহফুজুল আরিফ। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক এসএম আশরাফুল ইসলাম অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রদর্শনীর বিস্তারিত তুলে ধরেন বিসিএসের সহ-সভাপতি ও প্রদর্শনীর আহ্বায়ক মজিবুর রহমান স্বপন। অনুষ্ঠানে বিসিএস মহাসচিব নজরুল ইসলাম মিলন, যুগ্ম-মহাসচিব এসএম ওয়াহিদুজ্জামান, পরিচালক এ.টি. শফিক উদ্দিন আহমেদসহ বিসিএসের সদস্যবৃন্দ ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আরো জানানো হয়, এবারই প্রথম প্রদশর্নীতে তথ্যপ্রযুক্তিখাতে অবদানের জন্য পুরস্কার দেওয়া হবে। এজন্য দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে বিসিএস থেকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প জমা দিতে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় অন্তত ৫টি করে প্রকল্প জমা দিতে পারবে। এর মধ্যে থেকে বিচারকরা তিনটি প্রকল্পকে সেরা হিসেবে নির্বোচন করে পুরস্কৃত  করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিসিএস সভাপতি এএইচএম মাহফুজুল আরিফ বলেন, আমাদের দেশে হার্ডওয়্যার শিল্পের বিকাশ হচ্ছে না। অথচ আমরা হার্ডওয়্যার উৎপাদনের জন্য প্রস্তুত। এবারের প্রদর্শনীতে কয়েকটি হার্ডওয়্যার উৎপাদক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। আমরা তাদের সামনে তুলে ধরতে চাই এ দেশে হার্ডওয়্যার শিল্প স্থাপনের সুযোগ, সম্ভাবনা। এসব ইতিবাচক উপস্থাপন তাদেরকে বাংলাদেশমুখী হতে সহযোগিতা করবে।

শ্যাম সুন্দর শিকদার বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ তৈরিতে বাংলাদেশ সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন প্রযুক্তি সেবা সাধারণ মানুষের হাতের নাগালে আনতে নানা প্রকল্প নিয়ে কাজ চলছে। সরকারি ও বেসরকারি যৌগ উদ্যোগে মেলা আয়োজনের মাধ্যমে মানুষকে তথ্য প্রযুক্তি সম্পর্কে জানাতে এই মেলা আয়োজন করা হচ্ছে। মেলার খরচ সরকার, বিসিএস ও স্পন্সরদের কাছ থেকে আসবে।

এবারের তিন দিনের এই মেলায় চার লাখের মতো দর্শক হতে পারে বলে আশা করছেন আয়োজকেরা। আয়োজনের বাজেট ধরা হয়েছে সাড়ে তিন কোটি টাকা। যুক্তরাষ্ট্রে জিডিজি সম্মেলনে প্রশংসিত বাংলাদেশ

Post A Comment: