সব সিরিজের আগেই হয় কাজগুলো। কোচিং স্টাফদের মধ্যে প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা, কম্পিউটার বিশ্লেষকের ল্যাপটপে প্রতিপক্ষ নিয়ে নানামুখী গবেষণা। কোথায় তাদের দুর্বলতা, কোথায় হানতে হবে আঘাত ইত্যাদি।
এক টেস্ট ও তিন ওয়ানডের সিরিজে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার আগেও তা হচ্ছে। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে আজ সকালে। আজ কাজ হবে মূলত ফিটনেস নিয়েই। দুপুরে হওয়ার কথা কোচিং স্টাফ সদস্যদের সভা, যেখানে চূড়ান্ত হবে সিরিজ-পূর্ব প্রস্তুতির পরিকল্পনা।
তবে মাঠে বাংলাদেশের বোলার-ব্যাটসম্যানদের প্রাথমিক করণীয় মোটামুটি ঠিকই হয়ে গেছে। ভারতের সব ব্যাটসম্যানের বিপক্ষেই বোলারদের জন্য থাকবে একটা ‘কমন’ পরামর্শ। ব্যাটসম্যানদেরও মাথায় রাখতে হবে বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালটা। টিম ম্যানেজমেন্টের এক সদস্য কাল বলছিলেন, ‘বিশ্বকাপে ভারতের বোলাররা আমাদের ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে একটা বিশেষ অস্ত্র প্রয়োগ করেছিল। এবারও হয়তো তারা একই কাজ করবে। আমরাও সেটার ওপর জোর দেব।’
সেই বিশেষ ‘অস্ত্র’টা যে শর্ট বল, গত ১৯ মার্চের ম্যাচে ফিরে গেলেই তা স্পষ্ট হবে। ওয়ানডের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজাও তা গিয়েই বললেন, ‘ওরা আমাদের অনেক শর্ট বল করেছিল। মনে হচ্ছিল শর্ট বল দিয়ে ব্যাটসম্যানদের ফাঁদে ফেলতে চাচ্ছিল।’
অনুশীলনের এই খুঁটিনাটি দিকগুলোর ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে ছুটি কাটিয়ে কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে আজ ঢাকায় ফেরার পর। ভারত সিরিজের প্রস্তুতিতে হাথুরুসিংহে ও তাঁর সঙ্গীদের জন্য একটা পরামর্শ আছে প্রধান নির্বাচক ফারুক আহমেদের, ‘আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত দলের শক্তির জায়গাটাকে কাজে লাগানো। ভারতের বিপক্ষে আমাদের শক্তির জায়গা হলো ব্যাটিং। ভালো ব্যাটিংয়ের জন্য যা যা করা দরকার, তাই করতে হবে।’ ১০ জুন থেকে শুরু সিরিজে বাংলাদেশ দলের সামনে একটা লক্ষ্যও দাঁড় করিয়ে দিলেন, ‘নিজেদের মাটিতে বাংলাদেশ যে আসলেই কঠিন প্রতিপক্ষ, এই তকমাটা এখন আমাদের গায়ে লাগানো উচিত।’
ভারতের বিপক্ষে সাফল্য চাইলে তাদের প্রতাপশালী ব্যাটসম্যানদের বিপক্ষে জ্বলে উঠতে হবে বোলারদেরও। বাংলাদেশ দলের দুই অধিনায়কই এটাকে তাদের চ্যালেঞ্জ মানছেন। বাংলাদেশ নিয়ে রোমাঞ্চিত লয়

Post A Comment: