সেঞ্চুরি করেছিলেন সিকান্দার রাজা। চামু চিবাবার ব্যাট থেকে এসেছিল ৯৯ রান। জিম্বাবুয়েও পেয়েছিল ২৬৮ রানের পুঁজি। কিন্তু জয়ের জন্য তা যথেষ্ট হলো না। আজহার আলীর সেঞ্চুরিতে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। আর এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখে ২-০ ব্যবধানে সিরিজও জিতে নিয়েছে আজহার আলীর দল। শুক্রবার লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২৬৯ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে পাকিস্তানে ৪৬ রানের উদ্বোধনী জুটি উপহার দেন অধিনায়ক আজহার ও সরফরাজ আহমেদ। ২২ রান করে সরফরাজ বিদায় নেন চিবাবার বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ে। তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রিজে এসে সুবিধা করতে পারেননি মোহাম্মদ হাফিজ। দলীয় ৬৮ রানে তিনি ফেরেন ব্যক্তিগত ১৫ রান করে। তৃতীয় উইকেটে আসাদ শফিকের সঙ্গে ৮৫ রানের বড় জুটি গড়েন আজহার। শফিক ৩৯ রান করে ফিরলেও হ্যারিস সোহেলের সঙ্গে জুটি বেঁধে সেঞ্চুরি তুলে নেন আজহার। সেঞ্চুরির পরেই অবশ্য বিদায় নেন পাকিস্তান অধিনায়ক। মুপারিওয়ার বলে শেন উইলিয়ামসের তালুবন্দি হওয়ার আগে ১০৪ বলে ১০২ রান করেন আজহার। হ্যারিসের সঙ্গে তার জুটিতে আসে ৫৬ রান। এরপর হ্যারিস ও শোয়েব মালিকের ৬০ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে ১৬ বল হাতে রেখেই সহজ জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। হ্যারিস ৫২ ও মালিক ৩৬ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেটে ২৬৮ রান করে জিম্বাবুয়ে। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন সিকান্দার রাজা। তার ৮৪ বলের ঝোড়ো ইনিংসে ছিল ৮টি চার ও ৩টি ছক্কার মার। পাকিস্তান জন্ম নেওয়া প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করার কীর্তি গড়েন সিকান্দার রাজা। এ ছাড়া মাত্র এক রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করা চিবাবা ১০০ বলে ১১ চার ও এক ছক্কায় ৯৯ রান করেন। পাকিস্তানের হয়ে ওয়াহাব রিয়াজ ও ইয়াসির শাহ নেন সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট। ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন পাকিস্তানের সেঞ্চুরিয়ান আজহার আলী।

Post A Comment: