বাংলাদেশে কাজ করা নিয়ে রোমাঞ্চ অনুভব করছেন লয়।দুদিন আগেই আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে বিসিবির হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) ইউনিটের কার্যক্রম। এইচপি ইউনিটের প্রধান কোচ হিসেবে ঘোষণা হয়েছে ম্যাল লয়ের নাম। বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে পেরে বেশ রোমাঞ্চিত ল্যাঙ্কাশায়ারের সাবেক এ ব্যাটসম্যান।
ইংল্যান্ডের হয়ে ৭টি ওয়ানডে খেলা লয়ের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট বেশ সাফল্যমণ্ডিত। ২৬৪ ম্যাচে ১৫৩২৯ রান, সর্বোচ্চ ইনিংস অপরাজিত ৩২২। ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সব মিলিয়ে কাটিয়েছেন ২০টি বছর। সম্প্রতি শেষ করেছেন লেভেল-৪ কোচিং। লয় বললেন, ‘কোচিংয়ে সম্প্রতি লেভেল-৪ শেষ করেছি। আশা করি, তরুণ খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আসতে আমার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান সাহায্য করবে।’
লয়ের সঙ্গে থাকছেন স্বদেশি পল টেরি, যিনি এরই মধ্যে এইচপি ইউনিটে যোগ দিয়েছেন ডিরেক্টর অব কোচিং হিসেবে। দুজনই একে অপরকে চেনেন। লয়কে এইচপি ইউনিট বছরে পাবে ১২০ থেকে ১৮০ দিন। পরিবার ছেড়ে আসতে একটু কষ্ট লাগলেও নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে বেশ রোমাঞ্চিত তিনি, ‘সেখানকার (বাংলাদেশে) জীবনে চ্যালেঞ্জ আছে। সেখানে যাওয়ার এটাও একটা কারণ। তবে তার চেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আমার নতুন পরিবারকে ছেড়ে টানা কয়েক মাস দূরে থাকা। ক্যারিয়ারের জন্য এটাও আমাকে করতে হবে। আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়দের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে সত্যিই রোমাঞ্চিত। আর পলের (টেরি) বিপক্ষে আমি খেলেছে। তাকে আমি ভালোভাবেই চিনি।’
লয় কাজ করেছেন ওয়েলিংবরোর কোচ হিসেবে। কাউন্টি খেলেছেন বাকিংহামশায়ার, ল্যাঙ্কাশায়ার ও নর্দাম্পটনশায়ারের হয়ে। কাজ করছেন বিবিসি রেডিওর বিশেষজ্ঞ ধারাভাষ্যকর হিসেবে। সিভিতে যোগ হবে এবার বাংলাদেশের নামও। তথ্যসূত্র: ক্রিকইনফো। টেস্টে চিন্তা পেস বোলিং নিয়েই

Post A Comment: