দ্বিতীয় ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৬ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। সুবাদে ২-০ তে এগিয়ে গিয়ে এক ম্যাচ বাকী থাকতে সিরিজ জিতে নিয়েছে স্বাগতিকরা। লাহোরে জিম্বাবুয়ের ২৬৮ রান অধিনায়ক আজহার আলীর সেঞ্চুরিতে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬ বল বাকী থাকতে টপকে যায় তারা। সেঞ্চুরি করেছেন জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজাও। তবে সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ আরেকটু দীর্ঘায়িতই হয়েছে চামু চিবাবার। এর আগে ১০টি পঞ্চাশোর্ধ্ব ইনিংস খেললেও সেগুলোর একটিকেও পারেননি তিন অঙ্কের জাদুকরী স্কোরে রূপ দিতে। লাহোরে মনে হচ্ছিল সেই অতৃপ্তিটা ঘুচতে যাচ্ছে চিবাবার। কিন্তু এবার আরো বড় আফসোসে পুড়লেন জিম্বাবুয়ের এই ব্যাটসম্যান। মাত্র ১ রানের জন্য যে সেঞ্চুরিটা ছুঁতে পারেননি তিনি। দারুণ খেলছিলেন এই ওপেনার, কিন্তু ৯৯ রানে শোয়েব মালিকের বলে সরফরাজ আহমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে আসেন তিনি। চিবাবা না পারলেও ঠিকই ওই মাইল ফলক ছুঁয়েছেন সিকান্দার রাজা। মারমুখী ব্যাটিং করে ১০০ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। দুর্দান্ত ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছেন ৮৪ বলে ৮টি চার ও ৩টি ছক্কায়। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৮৩ রান যোগ করে জিম্বাবুয়েকে শক্ত ভিতে দাঁড় করিয়ে দেন সিবান্দা-চিবাবা। কিন্তু মোহাম্মদ হাফিজ সিবান্দাকে বোল্ড করার পর এক প্রান্তে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে সফরকারীরা। সতীর্থদের এই যাওয়া-আসার মিছিলে সেঞ্চুরির পথেই হাঁটছিলেন চিবাবা, কিন্তু খুব কাছে গিয়ে স্বপ্ন ভেঙে যাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তাঁকে। এরপর সিকান্দার রাজার হার না মানা সেঞ্চুরির ইনিংসটিতে ভর করেই সফরকারীদের স্কোরটা আড়াই শ পেরিয়েছে।

Post A Comment: