পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের কাঁঠালতলীতে ডেন্টাল চিকিৎসা সেবা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ওরাল ক্যানসার সোসাইটি ও আখতার হোসেন চৌধুরী মেমোরিয়াল কলেজ।


বৃহস্পতিবার কাঠালতলীর আখতার হোসেন মেমোরিয়াল কলেজ প্রাঙ্গণে এ মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। যা চলবে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত।

ডেন্টাল ছাড়াও চক্ষু, মেডিসিন ও গাইনিসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা  চিকিৎসা সেবা প্রদান করবেন। রোগীদের জন্য বিনামূল্যে সকল ঔষধের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কনসালটেন্ট ডা. মো. সাইফুল ইসলাম রঞ্জু ছাড়াও ডা. মো. শাখাওত হোসেন মঞ্জু (ইউএসএ), ডা. মো. শামসুজ্জোহা, ডা. মো. খালিদ মাহামুদ, ডা. মো. জামশেদ আলী, ডা. মো. নাবিদ আঞ্জুম, ডা. মোসা. নাজিজা তাসনিম, ডা. মোসা. মৌসুমি কবির, ডা. মো. হাসান শরীফ, ডা. মো. রাকিবুল হাসান প্রমুখ চিকিৎসা ক্যাম্পে রোগীদের সেবা দেবেন।

ডা. মো. সাইফুল ইসলাম রঞ্জু  বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে আমরা এই মেডিকেল ক্যাম্প করতে যাচ্ছি। কারণ অনেকেই অর্থনৈতিক সমস্যাসহ নানা কারণে একটু ভালো চিকিৎসা সেবা নিতে পারে না। এরআগেও পটুয়াখালীসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় আমরা ক্যাম্প করেছি। অনেক সাড়া পেয়েছি। আমাদের পরিকল্পনা আছে ভবিষ্যতে নিয়মিত এই ধরনের মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করার।  

ইতিমধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে বলেও জানান তিনি।
 

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মঙ্গলবার রাতে থানায় মামলা করেছেন ওই ছাত্রীর বাবা। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রনি মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।


গ্রেপ্তার রনি মিয়া উপজেলার টেপিরবাড়ী গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের ছেলে মামলার প্রধান আসামি ও অপর অভিযুক্ত একই গ্রামে আনোয়ার হোসেন।

ছাত্রীর অভিভাবক ও পুলিশের ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত রনি মিয়া প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে ছাত্রীর বাড়িতে  নিয়মিত যাওয়া-আসা করত। এ সুযোগে সে কয়েকবার ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাবসহ কুপ্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু ছাত্রীটি প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেয়ায় বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে কয়েকদিন যাবত উত্যক্ত করছিল রনি মিয়া।

গত রবিবার (১০ ডিসেম্বর) বিকালে অভিযুক্ত রনির বাড়ি খালি থাকার সুবাদে ছাত্রীকে কৌশলে মামলার অপর অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনের মাধ্যমে রনিদের বাড়ি নিয়ে যায়। পরে রনি আনোয়ারের সহায়তায় বসতঘরের ভেতরে নিয়ে জোরপূর্বক যৌন নিপীড়ন করে।

এ ব্যাপারে শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক মোহসীন হোসাইন বলেন, মামলা হওয়ার পর মঙ্গলবার রাতে নিজ বাড়ি থেকে অভিযুক্ত রনি মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ছাত্রীকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অপর অভিযুক্ত আনোয়ারকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
ভারতে যে শেয়ারে কোটিপতি হয়েছেন বিনিয়োগকারীরা 

সময় ও অর্থের যথাযথ বিনিয়োগে পুঁজিবাজার থেকে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত মুনাফা। যদিও পুঁজিবাজারে বিনিয়োগও ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু কোম্পানির মৌলভিত্তি যাচাই করে সঠিক কৌশলে বিনিয়োগ করা যায়, তবে মুনাফা নিশ্চিত। এমনটাই বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম ইকোনমিক টাইমস।


ইকোনমিক টাইমসের তথ্যানুযায়ী, শেয়ারে মাত্র ১০ হাজার রূপি বিনিয়োগে ৩ কোটি রূপি মুনাফা করেছে ভারতীয় পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৯৩ সালে যারা ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছে এমন শেয়ারের দাম এখন ৩ কোটি রূপির সমমূল্যে রূপান্তরিত হয়েছে। কারণ, এসময় কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়ের সম্প্রসারণের পাশাপাশি মুনাফা ও শেয়ারের দামও বেড়েছে।

ইকোনমিক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, ইনফোসিসের (Infosys) শেয়ারে ১৯৯৩ সালে জুনে যারা ১০ হাজার টাকার বিনিয়োগ করেছে ২০১৭ সালের অক্টোবরে তার দাম দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ৯৭ লাখ ৩০ হাজার ৬৪৫ টাকা। অর্থাৎ এসময় শেয়ার থেকে বিনিয়োগকারীরা রিটার্ন পেয়েছে ২৯৭৩ গুণ।

ফার্মাসিটিক্যাল খাতের ইমামি (Emami) শেয়ারে ১৯৯৫ সালে যারা ১০ হাজার রূপি বিনিয়োগ করেছে, অক্টোবর ২০১৭ শেষে তার দাম দাঁড়িয়েছে ৫২ লাখ ২৮ হাজার ৯৫৮ টাকা। এসময় এ শেয়ারটির দর বেড়েছে ৫২৩ গুণ।

১৯৯০ সালে যারা শ্রী সিমেন্টে (shree cement) বিনিয়োগ করেছে ২০১৭ সালের অক্টোবর শেষে কোম্পানিটির দাম দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৯১ লাখ ২৭ হাজার ৭২২ টাকা। এসময় শেয়ারটির দর বেড়েছে ১৯১৩ গুণ।

ইসার মটরর্সের (Eicher Motors) ১৯৯০ সালের জানুয়ারিতে যারা ১০ হাজার রূপি বিনিয়োগ করেছিল অক্টোবর ২০১৭ শেষে তার মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ কোটি ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬৮৮ রূপি। এক্ষেত্রে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ২০১৮ গুণ।

ওষুধ ও রসায়ন খাতের সান ফার্মায়(sun pharma) ১৯৯০ সালে ডিসেম্বরে যারা ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছে ২৩ বছর পর অক্টোবর ২০১৭তে কোম্পানিটির দাম দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ১০ হাজার ৩৭৭ টাকা।

এদিকে, এইচডিএফসি ব্যাংকে (HDFC Bank) যারা ১৯৯০ সালে ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করেছিল সাড়ে ২২ বছর পর কোম্পানিটির দর দাঁড়িয়েছে২২ লাখ ৪৬ হাজার ৯৫৭ টাকা।

এছাড়াও এশিয়ান পেইন্টসে (asian paints) ১৯৮৮ সালে যারা ১০ হাজার রূপি বিনিয়োগ করেছিল, তার বাজার মূল্য এখন ৫৯ লাখ টাকায় স্থিতি পেয়েছে।